অধিকার প্রতিষ্ঠিত। জটিলতা প্রমাণ, পরিমাণ ও বাস্তবায়ন নিয়ে।
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ দেনমোহর, ভরণপোষণ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, হেফাজত ও অভিভাবকত্বের জন্য একটিই আদালত দেয়। বিরোধের বেশিরভাগ বিষয় আইনগত নয়, ঘটনাগত — কী চুক্তি হয়েছিল, কতটা পরিশোধ হয়েছে এবং স্বামীর প্রকৃত আয় কত।
যে প্রমাণের ওজন বেশি
- কাবিননামা এবং দেনমোহর পরিশোধের রসিদ বা স্বীকৃতি।
- বিপক্ষের বেতন সনদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ট্রেড লাইসেন্স বা ভাড়া আয়ের তথ্য।
- সন্তানের প্রকৃত ব্যয় বোঝাতে স্কুল ফি, চিকিৎসা বিল ও বাড়িভাড়ার কাগজ।
বাস্তবায়ন
জারির পরিকল্পনা ছাড়া ডিক্রি কারো কাজে আসে না। শুরুতেই জেনে নিন ডিক্রি কীভাবে আদায় হবে — বেতন, ব্যাংক হিসাব নাকি সম্পত্তি ক্রোক করে — এবং প্রথম দিন থেকেই সেই পর্যায়ের কাগজপত্র গোছাতে থাকুন।
এই ওয়েবসাইটের তথ্য কেবল সাধারণ ধারণার জন্য; এটি আইনি পরামর্শ নয়। এই সাইট দেখা বা চেম্বারে যোগাযোগ করলেই আইনজীবী–মক্কেল সম্পর্ক তৈরি হয় না। কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক পরামর্শ নিন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণবিধি মেনে এই ওয়েবসাইট প্রকাশিত।
